মৃত্যুর পর আগত অবস্থার উপর ঈমান সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতসমূহ-১

17 06 2010

হে লোকসকল, স্বীয় প্রতিপালককে ভয় কর, নিঃসন্দেহে কিয়ামাতের কম্পন বড় ভয়ানক হইবে। যেদিন তোমরা এই কম্পনকে দেখিবে সেদিন এমন অবস্থা হইবে যে, সমস্ত স্তন্যদানকারিণী নারীগণ আপন স্তন্যপায়ী সন্তানদিগকে ভয়ের আরণে ভুলিয়া যাইবে সমস্ত গর্ভবতী নারীগণ তাহাদের গর্ভপাত করিয়া ফেলিবে। আর লোকদেরকে নেশাগ্রস্তের ন্যায় দেখা যাইবে অথচ তাহারা নেশাগ্রস্ত হইবে না বরং আল্লহ তায়া’লার আযাব বড়োই কঠিন (যে কারণে তাহাদিগকে আত্মহারা বিহবল মনে হইবে।) (সূরা হজ্জঃ ১-২)

ঐদিন অর্থাৎ কিয়ামাতের দিন কোন বন্ধু কোন বন্ধুর খোঁজ খবর লইবে না, অথচ তাহাদের একে অপরকে দেখাইয়া দেওয়া হইবে অর্থাৎ একজন অপরজনকে দেখিতে পাইবে। সেইদিন অপরাধী এই আখাংকা করিবে যে, আযাব হইতে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিজ পুত্রদিগকে, স্ত্রীকে, ভাইকেএবং আত্মীয়-স্বজনদেরকে যাহাদের মধ্যে সে বসবাস করিত, আর সমস্ত যমীনবাসীদেরকে নিজের মুক্তিপণ স্বরূপ দিয়া দেয় আর নিজেকে মুক্ত করিয়া লয়। ইহা কখনও হইবে না। (সূরা মাআরিজঃ ১০-১৫)

এই সকল অত্যচারী লোকেরা যাহা কিছু করিতেছে উহা সম্পর্কে (তৎক্ষণাৎ পাকড়াও না করার কারণে) আল্লহ তায়া’লাকে কখনও বেখবর মনেকরিও না। কেননা তাহাদিগকে আল্লহ তায়া’লা ঐদিন পর্যন্ত অবকাশ দিয়া রাখিয়াছেন, যেইদিন ভয়ের কারণে তাহাদের চক্ষুসমূহ বিস্ফোরিত হইয়া থাকিবে এবং তাহারা হিসাবের স্থানের দিকে আপন মস্তক ঊর্ধ্মুখী করিয়া দৌঁড়াইয়া যাইতে থাকিবে। তাহাদের চক্ষুসমূহ এইরূপ স্থির হইয়া যাইবে যে, পলক পড়িবে না এবং তাহাদের অন্তরসমূহ একেবারেই দিশাহারা হইবে। (সূরা ইবরহীমঃ ৪২)

মুন্তাখাব হাদিস (দারুল কিতাব, জানুয়ারী ২০০২) পৃষ্ঠা ১০২-১০৩


পদক্ষেপ

Information

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s




%d bloggers like this: