দাওয়াতের ফযীলত সম্পর্কিত কুরআনের আয়াতসমূহ-৬

2 06 2010

وَإِذْ قَالَتْ أُمَّةٌ مِّنْهُمْ لِمَ تَعِظُونَ قَوْمًا ۙ اللَّـهُ مُهْلِكُهُمْ أَوْ مُعَذِّبُهُمْ عَذَابًا شَدِيدًا ۖ قَالُوا مَعْذِرَةً إِلَىٰ رَبِّكُمْ وَلَعَلَّهُمْ يَتَّقُونَ ﴿١٦٤﴾ فَلَمَّا نَسُوا مَا ذُكِّرُوا بِهِ أَنجَيْنَا الَّذِينَ يَنْهَوْنَ عَنِ السُّوءِ وَأَخَذْنَا الَّذِينَ ظَلَمُوا بِعَذَابٍ بَئِيسٍ بِمَا كَانُوا يَفْسُقُونَ ﴿﴾١٦٥

(বনী ইসরাঈলকে শনিবার মাছ শিকার করিতে নিষেধ করা হইয়াছিল। কিছু লোক এই হুকুমের উপর আ’মাল করিল, আর কিছু লোক নাফরমানী করিল, এবং কিছু লোক না ফরমানদের উপদেশ দিল। এই আয়াতসমূহে সেই ঘটনা বর্ণিত হইয়াছে।) আল্লহ তায়া’লার এরশাদ,–আর ঐ সময় স্মরণ করার যোগ্য, যখন বনী ইসরাইলের একদল (যাহারা নাফরমানী করিত না, আর নাফরমান লোকদেরকে বাধা দিল, তাহারা ঐ সমস্ত লোকদেরকে যাহারা উপদেশ দিত,) বলিল, তোমরা এমন লোকদেরকে কেন উপদেশ দিতেছ যাহাদিগকে আল্লহ তায়া’লা ধ্বংস করিবেন, অথবা কঠোর শাস্তি প্রদান করিবেন। এই কথার উপর উপদেশ দানকারী দল উত্তর দিল যে, আমরা এই জন্য উপদেশ দিতেছি, যেন তোমাদের (ও আমাদের) রবের নিকট আপন দায়িত্ব হইতে নিষ্কৃতি লাভ করিতে পারি। (অর্থাৎ আল্লহ তায়া’লার সামনে ইহা বলিতে পারি যে, হে আল্লহ, আমরা তো বলিয়াছিলাম, কিন্তু তাহারা শুনে নাই অতএব আমরা নির্দোষ।) আর এই আশায় যে, হয়ত ইহারা বিরত হইবে (এবং শনিবার দিন শিকার করা ছাড়িয়া দিবে।) অতঃপর যখন তাহারা এই হুকুম অমান্য করিল, যেই হুকুম সম্পর্কে তাহাদের উপদেশ দেওয়া হইত, তখন আমি সেই সকল লোকদিগকে তো বাঁচাইয়া লইলাম যাহারা মন্দ কাজ হইতে নিষেধ করিত, আর নাফরমানদিগকে তাহাদের সেই নাফরমানীর কারণে যাহা তাহারা করিত এক কঠোর আযাবে আক্রান্ত করিলাম। (সূরা আ’রাফঃ ১৬৪-১৬৫)

فَلَوْلَا كَانَ مِنَ الْقُرُونِ مِن قَبْلِكُمْ أُولُو بَقِيَّةٍ يَنْهَوْنَ عَنِ الْفَسَادِ فِي الْأَرْضِ إِلَّا قَلِيلًا مِّمَّنْ أَنجَيْنَا مِنْهُمْ ۗ وَاتَّبَعَ الَّذِينَ ظَلَمُوا مَا أُتْرِفُوا فِيهِ وَكَانُوا مُجْرِمِينَ ﴿١١٦﴾ وَمَا كَانَ رَبُّكَ لِيُهْلِكَ الْقُرَىٰ بِظُلْمٍ وَأَهْلُهَا مُصْلِحُونَ ﴿﴾١١٧

যে সকল কওম তোমাদের পূর্বে ধ্বংস হইয়াছে তাহাদের মধ্যে এমন বুদ্ধিমান লোক কেন হইল না, যাহারা লোকদিগকে দেশে ফাসাদ বিস্তার করিতে বাধা প্রদান করিত, তবে কিছু লোক এমন ছিল যাহারা ফাসাদ হইতে বাধা দিত, যাহাদিগকে আমি আযাব হইতে রক্ষা করিয়াছিলাম। (অর্থাৎ পূর্ববর্তী উম্মতগণের ধ্বংসের যে ঘটনাবলী বর্ণিত হইয়াছে, উহার কারণ এই ছিল যে, তাহাদের মধ্যে এমন বুদ্ধিমান লোক ছিল না যে, যাহারা তাহাদিগকে আমর বিল মা’রুফ ও নাহী আনিল মুনকার করিত। সামান্য কিছু লোক এই কাজ করিতে ছিল, অতএব তাহাদিগকে আযাব হইতে রক্ষা করা হইয়াছে।) আর যাহারা নাফরমান ছিল, তাহারা যে আরাম আয়েশে ছিল উহার পিছনেই পড়িয়া রহিল এবং তাহারা অপরাধ পরায়ণ হইয়া গিয়াছিল। আর আপনার রব এমন নহেন যে, তিনি ঐ সকল জনপদসমূহকে যাহার বসবাসকারীগণ নিজের ও অন্যদের সংশোধনে লাগিয়া রহিয়াছে অন্যায়ভাবে (অকারণে) ধ্বংস ও বরবাদ করিয়া দিবেন। (সূরা হুদঃ ১১৬-১১৭)

وَالْعَصْرِ ﴿١﴾ إِنَّ الْإِنسَانَ لَفِي خُسْرٍ ﴿٢﴾ إِلَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَتَوَاصَوْا بِالْحَقِّ وَتَوَاصَوْا بِالصَّبْرِ ﴿﴾٣

যামানার কসম, নিশ্চয় মানুষ অত্যন্ত ক্ষতির মধ্যে রহিয়াছে, কিন্তু যাহারা ঈমান আনে এবং যাহারা নেককাজের পাবন্দী করে এবং একে অন্যকে হকের উপর কায়েম থাকার ও একে অন্যকে আ’মালের পাবন্দী করার তাকীদ করিতে থাকে (তাহারা অবশ্য পরিপূর্ণ ভাবে সফলকাম) (সূরা আসর)

মুন্তাখাব হাদিস (দারুল কিতাব, জানুয়ারী ২০০২) পৃষ্ঠা ৭৩০-৭৩১


পদক্ষেপ

Information

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s




%d bloggers like this: